মোর্শেদ নয়ন : ‘সারাদেশে এখন নির্বাচনী হাওয়া বইছে। নৌকার পতাকা উড়ছে পত পত করে, গ্রামে-গঞ্জে, শহরে। রিকশাওয়ালা থেকে দিনমজুর- মার্কাটা কি জিজ্ঞেস করলে সবাই বলে, নৌকা।’
এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শিকলবাহা ক্রসিং এসআর স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এ সভার আয়োজন করে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, আগস্ট মাস বাঙ্গালীর শোকের মাস। সে শোককে শক্তিতে পরিণত করে আমাদের আগাতে হবে। এ বছর এবং আগামী বছর ভোটের বছর। আগামী ২০ আগস্ট কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাচন, ডিসেম্বরে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, আগামী বছর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরো বলেন, নৌকার গণ জোয়ার দেখে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের আত্মতৃপ্তিতে ভোগলে হবে না। আগামী উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় নির্বাচনে বিজয় সুনিশ্চিত করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ হবে। তাহলেই ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাব আমরা।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিখিয়ে যাওয়া রাজনীতি মানুষের কাছে পৌছে দিতে হবে। পদ-পদবী এবং এমপি হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজনীতি করে না। শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের কর্মীরা বেঁচে আছে বলেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন বৃহত্তর রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রণির সঞ্চালনায় শোক সভার প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতা এম এ জাফর, এমএন ইসলাম, সিদ্দিক আহমদ বিকম, মোহাম্মদ আলী, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক লীগের সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার ইসলাম আহমদ, চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, চেয়ারম্যান রফিক আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মো. ইউনুছ, জহির উদ্দীন, আবদুর শুক্কুর, এমএ মারুফ, ব্যবসায়ী শহিদ চৌধুরী, রফিক উল্লাহ, সেলিম উল্লাহ খান, জসিম উদ্দীন, নুর আহমদ, ওসমান গনি মেম্বার, এসএম ছালে, জসিম উদ্দীন, আমির আহমদ, সৈয়দ আহমদ, রফিক আহমদ, হারুনুর রশিদ, আমজাদ হোসেন, আবদুল মান্নান খান, মেজবাহ উদ্দীন, হারুন নেভী।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারী চৌধুরী মুহাম্মদ গালিব, জেলা যুবলীগ নেতা আবদুল মান্নান, আবিদ হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সোলায়মান তালুকদার, সেক্রেটারী সেলিম হক, নাজিম উদ্দীন হায়দার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শাহেদুর রহমান শাহেদ, সেক্রেটারী আমজাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দীন, সেক্রেটারী জীবন মঞ্জুর আলম, মহিলা লীগের নেত্রী মোমেনা আকতার নয়ন প্রমুখ।
