
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে সাধারণত ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে খেলা হলেও বাংলাদেশ দলকে এবার নামতে হবে সবুজ উইকেটের পরীক্ষায়। যেখানে শুরুর ১০ ওভার চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
তিন ম্যাচ সিরিজের দিবারাত্রির প্রথম ওয়ানডে বুধবার বন্দরনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। আফগানিস্তানের বৈচিত্র্যপূর্ণ স্পিন আক্রমণকে দমিয়ে রাখতেই যেন ঘাসের উইকেট দেয়া হচ্ছে স্বাগতিকদের। খেলা শুরু দুপুর ২টায়।
মিরপুরে একমাত্র টেস্টেও দেখা গেছে এমন চিত্র। তাতে বেশ সফলও হয়েছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের নেতৃত্বে রেকর্ড রানের ব্যবধানে আফগানদের উড়িয়ে দিয়েছিল টিম টাইগার্স।
আফগানিস্তানের স্পিন প্রতিরোধের ভাবনা অমূলক নয়। কেননা রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, মুজিব উর রহমানরা রঙিন পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছেন।
চোট থেকে ফেরা তামিম শতভাগ ফিট না হলেও প্রথম ওয়ানডে খেলবেন। ম্যাচ খেলেই বোঝার চেষ্টা করবেন কতটা সেরে উঠেছেন। তামিম বলেন, ‘আমি অবশ্যই কালকের জন্য এভেইলেবল। শরীর আগের চেয়ে ভালো। তবে এটা বলব না যে, শতভাগ (ঠিক আছি)। কালকে খেলার পর আরও ভালো বুঝতে পারব যে, কী অবস্থা। তবে এখন পর্যন্ত হলো, আমি কালকে খেলছি ইনশাআল্লাহ্।’
অনুশীলনে চালিয়ে নিতে পারলেও ম্যাচের তীব্রতা থাকে ভিন্ন। ৫০ ওভার ফিল্ডিং ও ওপেন করে ব্যাটিং করার জন্য দরকার শতভাগ ফিটনেস। তামিমের ভাষ্যমতে আপাতত সেটা তার নেই। তবে পুরো সিরিজ তিনি খেলতে পারবেন কিনা সেটা খতিয়ে দেখতেই খেলতে চান প্রথম ম্যাচ, ‘আমার মনে হয় যে, আমারও দেখতে হবে যে, আমি কতটা মানিয়ে নিতে পারছি বা পারছি না। তবে আমি এরকম কোনো কাজ করব না, যেটায় দল ভুগবে। কারণ আমি সবসময় বলি, যে কোনো ব্যক্তির চেয়ে দল আগে আসে। আমার এখন মনে হচ্ছে, আমি কালকের জন্য প্রস্তুত। ম্যাচ চলাকালে যদি আমার মনে হয় যে, আমি ঠিক প্রস্তুত নই বা এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাহলে আমি ও মেডিক্যাল টিম মিলে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত আমি আগামীকালের ম্যাচের জন্য ফিট। দেখা যাক, কালকে কী হয়!’
সিরিজ শুরুর আগে উইকেট দেখে বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন উইকেট পরিস্থিতির কথা। ‘এখানকার উইকেট কিছুটা ভিন্ন। হালকা ঘাস রয়েছে। সাধারণত ব্যাটিংয়ের জন্য চট্টগ্রামের উইকেট বেশ ভালো হয়। প্রথম দশ ওভার দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জিং থাকবে। ১০-১৫ ওভার সংগ্রাম করার পর মাঝের ওভারগুলো থেকে রান উঠবে।’
