
ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি এখন নির্বাচন নিয়ে কথা বলে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে তারা নানা কথা বলে। আমি এখন সমালোচনা করতে চাই না। এদের কথা এদের কাজ সবই ধ্বংসাত্মক। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে আমি সতর্ক করব। আজকের উন্নয়ন ধ্বংস করুক, সেটা আমরা চাই না।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা অনেক ভালো কাজ করেছি, ভালো কথাই বলতে চাই। ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকারে আসি, তখন সারা বাংলাদেশে কী ভাবে উন্নয়ন গড়ে তুলবো সেই প্রচেষ্টা আমরা চালাই।
আজ (বৃহস্পতিবার) তেজগাঁও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় ১৫০টি সেতু, ১৪টি ওভার পাস, স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস পরীক্ষা কেন্দ্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
দেশের ৮ বিভাগের ৩৯ জেলায় নির্মিত এই ১৫০ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৯ হাজার ৪৫৪ মিটার বা ৯ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। যা নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা।
এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে রয়েছে ৪০টি সেতু, ঢাকা বিভাগে ৩২টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭টি, রাজশাহী বিভাগে ২২টি সেতু, খুলনা বিভাগে ১২টি সেতু, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৮টি করে সেতু এবং সিলেট বিভাগে একটি সেতু।
এ ছাড়া রংপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা জেলায় ১৪টি ওভারপাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ৬৮৯ মিটার দৈর্ঘ্যের এসব স্থাপনায় নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ২০৮ কোটি টাকা।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় এসব প্রকল্প বাস্তাবায়ন করেছে সরকার।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ১৫০টি সেতু ও বিভিন্ন মহাসড়কের ১৪টি ওভারপাস প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সারা দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা পাবে। সেতুগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জিডিপি বাড়াতে সহায়ক হবে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর জানায়, ১৫০টি সেতু ও ১৪টি ওভারপাস দেশের প্রান্তিক জনগণের যোগাযোগব্যবস্থায় সমৃদ্ধি আনবে। এ ছাড়া তাদের জীবন নিরাপদ ও সময় সাশ্রয়ী করে তুলবে।
