বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০

কর্মীর রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

প্রকাশিতঃ ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯:৪৮ পূর্বাহ্ন


লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ (২২) নামে এক ছাত্রলীগকর্মীকে মারধরের পর পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত মামুন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

আহত মামুনুর রশিদ উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ হরিণা পাঠার পাড়ার আবুল হাশেমের ছেলে ও চট্টগ্রাম কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

এদিকে, এ ঘটনায় ১০ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) রাতে আহত ছাত্রলীগকর্মী মামুনের বাবা বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় মামলাটি করেন। এতে আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানবীর আহমদ ফাহিম, মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ আকিব, মোহাম্মদ রানা ও মোহাম্মদ আকিব নাম উল্লেখ করে ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের চাম্বি লেক থেকে আসার পথে এক মোটরসাইকেল আরোহী যুগলকে আসামিরা ধাওয়া করেন। স্থানীয়রা যুগলকে আসামিদের কবল থেকে রক্ষা করেন।

পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি উক্ত ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয়দের সাথে আসামিদের এক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে মামুনুর রশিদের সাথে আসামিদের বাকবিতন্ডা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত পৌনে ২টার দিকে খেলা শেষে বাড়ি ফেরার সময় উপজেলা সদরের টার্ফ স্পোর্টস এ্যারেনার সামনে আসামিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মামুনুর রশিদের উপর হামলা করেন।

এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মামুনুর রশিদের মাথা ফেটে যায় ও পায়ে রগ কেটে দেওয়া হয়। পরে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় মামুনুর রশিদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।

এদিকে, ঘটনার চারদিন অতিবাহিত হলেও হামলার সাথে জড়িত কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহতের পরিবার।

লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদুর রহমান রিয়াদ একুশে পত্রিকাকে জানান, সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত মামুনুর রশিদ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার পূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম একুশে পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছি। এটা দেখে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।