প্রতি কাপড়ে সাড়ে ১২হাজার টাকা লাভ!

image_1313_366109_1950চট্টগ্রাম: ফ্লোর টাচ নামক একটি ড্রেসের বিক্রি করা হচ্ছিল ১৯ হাজার ৫০০ টাকায়। অথচ এ কাপড়ের প্রকৃত ক্রয়মূল্য ছিল ৬হাজার ৯৯৫টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতি কাপড়ে লাভ করা হচ্ছিল ১২হাজার ৫০৫টাকা! আরেকটি কাপড়ের ক্রয়মূল্য ছিলো ৪হাজার ৫৫০টাকা। আর সেটি বিক্রি করা হচ্ছিল সাড়ে ১৪ হাজার টাকায়।

চট্টগ্রাম নগরীর মিমি সুপার মার্কেটের ‘ইয়াং লেডি’ দোকানে গিয়ে ক্রয়মূল্যের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের এই পার্থক্য ধরা পড়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর মিমি সুপার মার্কেট, আফমি প্লাজা, সানমার শপিং কমপ্লেক্সে ঈদের কাপড়ের বাজার তদারকিতে নামের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান, সৈয়দ মোদার আলী ও তানিয়া মুন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান বলেন, মিমি সুপার মার্কেটের ‘ইয়াং লেডি’ দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, তারা প্রতি কাপড়ে লাভ করছেন সাড়ে ১২হাজার টাকা পর্যন্ত। বিভিন্ন গোপন কোডে লেখা থাকে এসকল পণ্যের দাম, যা ক্রেতাদের বোঝার কোন উপায় নেই। তাই বিক্রেতা তার ইচ্ছামত দাম হাকছেন। ঠকিয়ে যাচ্ছেন সাধারন মানুষকে। এ যেন কাপড় বিক্রয়ের নামে ডাকাতি।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মিমি সুপার মার্কেটের আচল, আকর্ষণ; আফমি প্লাজার সেলিব্রেশন্স, সুরুচি কালেকশন, পারফিউম ওয়ার্ল্ড, লন্ডন লুক; সানমারের নিউ বাসাবিসহ প্রায় ২০টি দোকানে গিয়ে দামের ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা দেখা গেছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান বলেন, অভিযানে কোন কোন ব্যবসায়ী দেখাতে পারেননি ক্রয়মূল্যের রশিদ। তারা রশিদ রাখার বিষয়টি জানতেন না বলেছেন। এ সকল মার্কেটে প্রথমবারের মত অভিযান হওয়ায় কঠোরভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। আগামী রোববার পর্যন্ত তাদের এ বিষয়গুলো ঠিক করে নেবার জন্য সময় দেয়া হয়েছে। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।