চট্টগ্রাম: হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
১৪ অক্টোবর আ জ ম নাছির উদ্দীনের জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে মেয়র বাসভবনে যায় ‘নাগরিক বোধোদয়’ পরিবার; এসময় মতবিনিময়কালে প্রসঙ্গক্রমে মেয়র এই কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। চসিক কর্তৃক ঘোষিত ১৭% মূলত ২০১৫ সালের অনুমোদিত সিটি করপোরেশন কর আইনের চেয়েও অনেক কম।’
‘যে পাঁচটি সেবা দিয়ে ট্যাক্স ধার্য করা হয় তার মধ্যে হেলথ ট্যাক্স চসিক নিচ্ছে না, স্ট্রিট ইলেক্ট্রিসিটি ট্যাক্স থেকে ২% কমে ট্যাক্স আদায় করা হচ্ছে। অন্যান্য সিটি করপোরেশনগুলোর সাথে তুলনা করলে দেখা যাবে চসিকের ট্যাক্স অনেক কম।’
এছাড়াও একমাত্র সিটি করপোরেশন হিসেবে চসিকই দরিদ্র আর অস্বচ্ছলদের কর মওকুফের সুবিধা দিচ্ছে বলেও মতবিনিময়কালে জানান মেয়র আ জ ম নাছির।
এসময় নাগরিক বোধদয়ের সদস্যরা বলেন, পরিকল্পিতভাবে ও সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সমীকরণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিত ভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মন্ত্রনালয় থেকে গৃহীত সিদ্ধান্তকে বিতর্কিত করে মুলত তারা বিএনপি-জামাত জোটের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। ট্যাক্স নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়ে সিটি করপোরেশনের কোন এখতিয়ার নেই। সিটি করপোরেশন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ট্যাক্স আদায় করে মাত্র। তাই সিটি কর্পোরেশন ও মেয়রকে নিয়ে জল ঘোলা করার অপচেষ্টা নাগরিক সমাজের বোধের বাইরে নয়।
তারা আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে চসিক মেয়রের একের পর এক সাহসিক পদক্ষেপ, যেমনঃ বিলবোর্ড অপসারণ, ডোর টু ডোর বর্জ্য অপসারণ, কোরবানীর ঈদে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরীকে বর্জ্যমুক্ত করা, হেল্প লাইন, শৃঙ্খলিত হকার উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন পদ্ধতি, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনের গৃহীত পদক্ষেপসমুহ সহ ইত্যাদি চট্টগ্রামের পরিবেশ বদলে দিয়েছে। তাই নাগরিক সমাজ মেয়র আ জ ম নাছিরের উপরই ভরসা রাখছেন এবং যারা এই অপপ্রচার ছড়ানোর পেছনে কাজ করছে তারা সকলেই নাগরিক সমাজে উপেক্ষিত।
এসময় নাগরিক বোধোদয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাকসুদুর রহমান মাসুদ, রায়হান মাহমুদ শুভ, হুমায়ূন কবির, আলী আজম সুজন, তাওহীদুল কবির, ইয়াসীন আরাফাত বাপ্পী, ইমরান হোসেন জনি, জিশু দাশ, আরাফাত হোসেন, শাহাদাৎ হোসেন, শাহিন খান, সৈয়দ রবিউল আলম বাঁধন, মবিনুল হক, সাহেদ আলম তানভীর, অনিন্দ্য দেব প্রমুখ।
