
চট্টগ্রাম : বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।
বুধবার (২২ মে) বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, আজকে ক্রিকেটের যে উন্নয়ন তা করেছিলেন প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো। তিনি রাজনীতির বাইরে থেকে খেলাকে খেলা হিসেবে দেখে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। আজকে যে ক্রিকেট আমরা দেখতে পাই সেই ক্রিকেটের ভিত্তি তৈরি করেছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দায়িত্বে আশার পর তিনি ক্রীড়াঙ্গনকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। আমাদের খুব দুর্ভাগ্য যে, আমাদের জন্য যারা কিছু তৈরি করেন তাদের আমরা খুব সহজেই ভুলে যাই।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে ও ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর চট্টগ্রাম বিভাগের খেলা আগামী ২৮ জুন চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। এই টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলকে আহ্বায়ক ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হককে সদস্য সচিব করে জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়।
চট্টগ্রাম বিভাগের খেলা পরিচালনার জন্য সমন্বয়কারীর দায়িত্বে থাকবেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম এবং সদস্য থাকবেন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন মজুমদার ও ভিপি হারুনুর রশীদ। চট্টগ্রাম বিভাগে লাল দল ও সবুজ দল নামে দুইটি টিম গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর, দক্ষিণ জেলা, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলা নিয়ে লাল দল। লাল দলের সমন্বয়ক নির্বাচিত হয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা, ফেনী, নোয়াখালী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও লক্ষীপুর জেলা নিয়ে সবুজ দল। সবুজ দলের সমন্বয়ক নির্বাচিত হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন মজুমদার।
এসময় মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, দলের বাইরের যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার মানসিকতা আওয়ামী লীগের মধ্যে নেই। যার ফলে আজকে সমস্ত রাষ্ট্রকেই তারা দলীয়করণ করে ফেলেছে। এটা তাদের আদর্শগত। ১৯৭৫ সালেও তারা একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, কোকো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়েও রাজনীতির বাহিরে থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তিনি ছিলেন অতুলনীয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আধুনিকায়নসহ বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। তার দেশের মানুষের কাছে স্মরণীয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান রুমন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, পরিচালনা কমিটির সদস্য জাকির হোসেন সরকার, উত্তর জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সি, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাবুদ্দিন সাবু, নোয়াখালী জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান, বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী প্রমুখ।
