চট্টগ্রাম : জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি সামশুল আলম মাস্টার বলেছেন, ’৯০ পরবর্তী সরকারগুলো দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বার বার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে তারা জনগণকে ধোকা দিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তরিতরকারি থেকে শুরু করে শাকসবজি ও চালের বাজারে আগুন জ্বলছে। এই অবস্থায় দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। মুক্তি পেতে চায় এই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে। তিনি জনগণকে সুখে রাখতে পল্লীবন্ধু এরশাদের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক সরকার গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
স্বেচ্ছাসেবক পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য জহিরুল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে পটিয়া বাস স্টেশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জাতীয় পার্টি সরকারের সময়ে কর্ণফুলী ২য় সেতু স্থাপনের মাধ্যমে পল্লীবন্ধু এরশাদ দক্ষিণ চট্টগ্রামকে উপ শহরে রূপান্তরিত করেছিলেন। সেই কারণে আজ কর্ণফুলী ও পটিয়া উপজেলায় শত শত মিল-কারখানা তৈরি হয়েছে। হাজার হাজার বেকার যুবক-যুবতির কর্মসংস্থান হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে। আগামীতে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে শাসনতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রত্যন্ত জনপদে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি করা হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপা কেন্দ্রীয় সদস্য আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণ জেলা জাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার রনি, মুক্তিযোদ্ধা রফিক আহমদ চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, পটিয়া উপজেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ আলম, কর্ণফুলী উপজেলা জাপা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, যুবনেতা লিয়াকত আলী, স্বেচ্ছাসেবক পার্টি নেতা মাহবুবুল আলম, ইফতেখার আলম জিকু, মো: আকিব প্রমুখ। সভাশেষে মাহবুবুল আলমকে আহ্বায়ক, মো: আকিবকে সদস্য সচিব ও ইফতেখার আলম জিকুকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়।
