বন্দর সম্মুখে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য স্থাপনের তাগিদ

চট্টগ্রাম : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বে অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাগণ রোববার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি’র সাথে তাঁর কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

সভার শুরুতে চবক চেয়ারম্যানকে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি, ক্রেস্ট প্রদান ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফরসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাগণ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বন্দর কর্তৃপক্ষের মেম্বার (এডমিন ও প্ল্যানিং) বীর মুক্তিযোদ্ধা হাদী হোসেন বাবুল, নৌ-কমান্ডো এএইচএম জিলানী চৌধুরী, চট্টগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের সাবেক সভাপতি জাগির হোসেন মিজান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিটের সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, এফ.এফ আকবর খান (যুদ্ধাহত), ডবলমুরিং থানার ডেপুটি কমান্ডার মো. ইসমাইল কুতুবী, বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক প্রমুখ।

মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে চবক চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের দাবিগুলো যৌক্তিক। সরকারের ঘোষণার আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চাকরি ক্ষেত্রে ৩০% কোটা সংরক্ষণ করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে এর কোন ব্যত্যয় ঘটবে না।

মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সম্মুখ চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে একটি ‘ভাষ্কর্য’ স্থাপন বাস্তবায়ন এবং পর্যায়ক্রমে সোয়াত জাহাজ প্রতিরোধ আন্দোলন ও প্রতিরোধকারী শহীদদের স্মরণে বন্দর ভবনের আশপাশে একটি ‘স্মৃতি চত্বর’ স্থাপনের ব্যাপারে আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে কর্ণফুলী ব্রিজ সংলগ্ন নবনির্মিত মিউজিয়ামে বঙ্গবন্ধু গবেষণাগার ও লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধাগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।