মোর্শেদ নয়ন : আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন- ‘যদি সাহস থাকে আসেন নির্বাচনের মাঠে। ইনশাল্লাহ খেলা হবে, ফাইনাল খেলা। এবার যদি নির্বাচন না করে ফেরত যান, তাহলে ভবিষ্যতে বাটি চালান দিয়েও বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ।
রোববার বিকালে চট্টগ্রাম নগরের মুসলিম হলে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ, মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী’র ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এই কথা বলেন।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আরো বলেন- ডিসেম্বর মাস হল বাঙালির বিজয়ের মাস। বিজয়ের মাসের এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারো জয় লাভ করবে।বিজয়ী হয়ে শেখ হাসিনা হ্যাট্রিক করবেন । এসময় নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
আগামী সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে নেতাকর্মীদের শঙ্কার কথা জানিয়ে নাসিম আরো বলেন, নির্বাচনে পরাজিত হলে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, জঙ্গি, একাত্তরের ঘাতক, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা ক্ষমতায় আসবে। পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা বিএনপি-জামায়াতের পথ ধরে আবার ক্ষমতায় বসবে। মনে রাখবেন, শেখ হাসিনা যদি আবার জনগণের ভালবাসায় ক্ষমতায় ফিরে আসতে না পারে, অন্ধকারে আমাদের সবাইকে হারিয়ে যেতে হবে। তখন আমরা কেউ কাউকে খুঁজেও পাবো না। আমরা সবাই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাব। ’
নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আক্তারুজ্জামান বাবুর সন্তান ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আ’লীগ সভাপতি নূরুল আলম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, সাবেক চট্টগ্রাম জেলা পিপি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী, আবুল কালাম চৌধুরী, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হক হায়দার চৌধুরী বাবুল, আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী, কর্ণফুলী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এমএ মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ছৈয়দ জামাল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রনি প্রমুখ।
