চবি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক আমির উদ্দীনকে অপসারণের দাবিতে দেয়া আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পরপরই ছাত্রলীগের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ভাংচুর চালিয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে হামলার সময় তারা উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার অফিসের জানালার কাঁচ, বেশ কয়েকটি ফুলের টব এবং ভবনের নিচে থাকা দুটি প্রাইভেট কার ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।
প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক অবরোধ করে রাখে। এসময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বাংলাভিশনের সাংবাদিক শাজাহান খানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।
এর আগে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার শান্তিচুক্তি বিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার অভিযোগ এনে তার অপসারণের জন্য ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয় চবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতির অনুসারীরা। ছাত্রলীগের এ অংশটি নগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, তারা আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর কথা দিয়েছিলো। কিন্তু এ ধরণের কর্মকান্ড করবে তা আমরা বুঝতে পারিনি। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
যে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের একাংশ মাঠে নেমেছে তিনি চট্টগ্রাম নগরীতে সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত হোল্ডিং ট্যাক্সের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত সংগঠন ‘করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। করদাতা সুরক্ষা পরিষদের ব্যানারে গৃহকর নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রানিÍমূলক তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অভিযোগ।
এদিকে শিক্ষক আমির উদ্দীনকে লাঞ্চিত করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেছে চবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজনের অনুসারীরা।
