পার্বত্যাঞ্চালে গ্রাম উন্নয়নে এনজিও’র অবদান প্রশংসনীয় : কংজরী চৌধুরী

শংকর চৌধুরী, খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেছেন, সারাদেশের ন্যায় এই জেলার অর্থনীতি অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রাম ও কৃষিনির্ভর। গ্রামের উন্নতি হচ্ছে বলেই খাগড়াছড়ির তথা দেশের অর্থনীতির অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। আর পার্বত্যাঞ্চলের পাহাড়ী জনপদের পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠির অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়ন সাধিত করে এগিয়ে নিতে, গ্রাম উন্নয়নে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এনজিও গুলোর অবদান প্রশংসনীয়।

পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে বুধবার এনজিও সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জেলার প্রেক্ষাপটে এনজিও সুবিধাভোগী এলাকা নির্বাচনে সকল সম্প্রদায় যাতে সুযোগ সুবিধা পায় সেদিক মাথায় রেখে কাজ করার আহবান জানিয়ে, স্বাস্থ্যসেবা দিতে পানছড়ি উপজেলায় নিজস্ব অর্থায়নে এ্যাম্বুলেন্স সেবা সংযোজন করায় ইপসাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. মো. গোফরান ফারুকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায়, এনজিও কর্মকর্তা ছাড়াও আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য রক্তোৎপল ত্রিপুরা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তরুণ ভট্টাচার্য্যসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এসময়, উপস্থিত এনজিও’র প্রতিনিধিরা তাদের মাসিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

পরে বিকালে তার অফিস কক্ষে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০ এর ৭নং ধারামতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট,এর কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ২১ মে ১০ সদস্য বিশিষ্ট নব গঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় সভাপতিত্ব করেন, পাজেপ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

সভায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ইনস্টিটিউটের রাজস্ব বাজেট সংক্রান্ত, সদ্য সমাপ্ত জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণ কর্মসূচি, খন্ডকালীন কর্মচারীদের বেতন সংস্থান, গবেষণামূলক কাজের মান বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। এসময় সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে অত্র মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব শাহানা জামান, পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা, সদস্য শতরুপা চাকমাসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণকারীগণ উপস্থিত ছিলেন।