‘বন্দরের লস্কর পদে কার সুপারিশে কতজনের নিয়োগ?’

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দরের লস্কর পদে কার সুপারিশে কতজনের নিয়োগ হয়েছে তা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় অধিবাসীদের অধিকার আদায় পরিষদ নামে একটি সংগঠন।

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেস সংগঠনের সভাপতি নূর মোহাম্মদ খান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ২০ জন প্রার্থী লস্কর পদে আবেদন করেছিল। কিন্তু কারও চাকরি হয়নি। এরমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটার প্রার্থীও ছিল। বন্দরের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের চাকরি না দিলে পাড়া-মহল্লায় সমাবেশ, থানা-ওয়ার্ডে জনসভা, বন্দর ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ও হরতালের মতো কর্মসূচি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, লস্কর পদে চট্টগ্রাম থেকে ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে নৌপরিবহন মন্ত্রী যে তথ্য দিচ্ছে তা সঠিক নয়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে মন্ত্রী ধোকা দিতে চাইছে। কিভাবে, কোন কোটায় কতজন নিয়োগ দিয়েছে তা স্পষ্ট করা হোক।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকার সম্মান বজায় রাখতে পারেনি অভিযোগ করে নূর মোহাম্মদ খান বলেন, নিয়োগে তার জোরালো ভূমিকা থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা চাকরি পেত। তিনি হয়তো আত্মীয়-স্বজনকে চাকরি দিয়েছেন। সামগ্রিকভাবে সংসদ সদস্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

বন্দরে নিয়োগ কমিটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসেব খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বন্দর সম্প্রসারণের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিঃস্ব হয়েছে। অন্যদিকে এসব এলাকায় ফ্ল্যাট বাড়ি ও একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রেতা বন্দরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা। এত টাকা তারা কোথায় পেল তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুল ইসলাম, দিদারুল হক, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।