খালেদার দুর্নীতির কথাগুলো শুনতে, বলতে লজ্জা লাগে : হাছান মাহমুদ

ঢাকা: আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার দুর্নীতির বিষয়ে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশে এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। খালেদা জিয়ার লজ্জা লাগে কি না জানি না, আমার কিন্তু এ কথাগুলো শুনতে এবং বলতে লজ্জা লাগে।’

রোববার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের এক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গুলশানে নিজ কার্যালয়ে গতকাল শনিবার রাতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে লেখা তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি তারেক রহমানকে নিয়ে প্রশংসামূলক বক্তব্য দেন। খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আসলে শুধু তারেক রহমান নন, তিনি (খালেদা জিয়া) নিজেও চোর। কারণ, চুরিতে তিনি নিজেও ধরা পড়েছেন। আজকে সৌদি আরবে তদন্তে তা বেরিয়ে এসেছে।’ এর সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘যাঁর বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে দুর্নীতির খবর বের হয়, বিদেশে অর্থ পাচার করার প্রমাণ পাওয়া যায়—সেই নেত্রীর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা ও বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সৌদি আরবে শপিং মল, বিল্ডিংসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পত্তি রয়েছে। টেলিভিশনের খবরে বলা হচ্ছে, পৃথিবীর অন্তত ১২টি দেশে খালেদা জিয়া এবং তাঁর পরিবারের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে।

খালেদা জিয়ার দুর্নীতি নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য না পেয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীরের উদ্দেশে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এই যে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এত কথা, বিদেশি টেলিভিশনে এত কথা—মির্জা ফখরুল সাহেব আপনার মুখে কোনো কথা নেই কেন? আজকে যখন তদন্তে দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসছে, তখন বিএনপি নেতাদের মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হয় না কেন?’

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অভিনেত্রী ফাল্গুনী হামিদ প্রমুখ মানববন্ধনে বক্তব্য দেন।