
চট্টগ্রামের প্রবীণ আইনজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা কছির উদ্দিন আহমেদ ৭৭ বছর বয়সে মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় নগরীর মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘ পথচলায় তিনি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
মির্জা কছির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে আইন পেশায় যোগ দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধের পর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
তার তিন ছেলে-মেয়েও আইন পেশায় যুক্ত। বড় ছেলে মির্জা শোয়েব মুহিত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল। প্রয়াত চিকিৎসক মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ তার বড় ভাই এবং দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের সম্পাদক হোসাইন তৌফিক ইফতিখার তার ভাতিজা।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম আদালত ভবন চত্বরে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রামের আইনজীবীরা অংশ নেন।
পরে সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শায় গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার জানিয়েছে।
তার মৃত্যুতে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া সাংবাদিক ফোরাম গভীর শোক প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে ফোরামের সভাপতি এস এম রানা ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
