কে এই ভোলা?

Captureচট্টগ্রাম: পুরো নাম এহতেশামুল হক ভোলা। বেশ কয়েক বছর আগে ভোলার মামা মৌলভী লোকমান রাজাখালি হাইওয়ে সড়কের পাশে জমি নিয়েছিলেন প্রায় ১৪ কাঠা। সেই জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে ঝামেলা হলে ভোলাকে নিয়ে আসেন মামা লোকমান। পরবর্তীতে কলোনিসহ সেই জমি দখল করে মামা লোকমানকে বের করে দেয় ভোলা।

একাধিক খুন ও ডাকাতি মামলার আসামি ভোলা নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা দাবি করে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল ভোলা।

রাজাখালী এলাকায় রয়েছে তার নিজস্ব কলোনী। কলোনিতে থাকা শ্রমজীবী মানুষই তার পুঁজি। রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশে এসব মানুষ নিয়ে মিছিল সহকারে হাজির হয় ভোলা।

পেশাদার সন্ত্রাসী ভোলা চাক্তাই রাজাখালি এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে। তার বড় ভাই শরীফুল হক কাজলও পেশাদার সন্ত্রাসী। দীর্ঘদিন কারাভোগ করার পর সম্প্রতি কারাগার থেকে জামিনে বের হয়েছে কাজল।

চাক্তাই আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দুলাল চক্রবর্তীর ছেলে তপন চক্রবর্তীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছিল ভোলা ও তার অনুসারীরা। পরবর্তীতে ভোলার ভয়ে সব সম্পত্তি বিক্রি করে দুলাল ভারতে চলে যায়।

পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের সোর্স হওয়ায় তাকে স্থানীয় লোকজন ভয় পেতো।

বাকলিয়া থানার ওসি আবুর মনসুর বলেন, ভোলা থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে খুন ও ডাকাতি মামলা রয়েছে থানায়।