জলবায়ু ও প্রজনন স্বাস্থ্য নীতিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান


জলবায়ু পরিবর্তন এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে নীতি নির্ধারণ ও অগ্রগতিতে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোববার চট্টগ্রাম নগরীতে আয়োজিত এক বিভাগীয় যুব কর্মশালায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলের তরুণদের মতামতকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে।

নগরীর স্টেশন রোডের হোটেল সৈকতে ‘সিরাক-বাংলাদেশ’ এই কর্মশালার আয়োজন করে। সুইডিশ উন্নয়ন সংস্থা সিডা’র অর্থায়নে এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় ‘ইয়ুথ ক্যাটালিস্ট’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলের অর্ধশত তরুণ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক আবু সালেহ মো. ফোরকান উদ্দিন বলেন, “কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনি নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়ার দায়িত্বও তাদের নিতে হবে।”

ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম এনালিস্ট ডা. মোহাম্মদ মুনির হোসেন বলেন, “যুব সমাজের উপলব্ধি আর অভিজ্ঞতা থেকে নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত, যা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় টেকসই সমাধান আনতে পারে।”

সিরাক-বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে তরুণদের সাথে নিয়ে উপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন প্রয়োজন।

সিরাক-বাংলাদেশ এর উপ-পরিচালক মো. সেলিম মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক গোলাম বাসির আহমেদ এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেগম সাহান ওয়াজ, সিরাক-বাংলাদেশ এর এডভোকেসি স্পেশালিস্ট মিজানুর রহমান আকন্দ, ফাইন্যান্স ও অ্যাডমিন কো-অর্ডিনেটর ওমর ফারুক খান, কমিউনিকেশন্স অফিসার এনামুল হক রনি এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. আবু তৈয়ব।