আধুনিক নগর গড়ার প্রত্যয়ে ‘চট্টগ্রাম ২.০’ এর যাত্রা শুরু


চট্টগ্রামকে উন্নত, প্রযুক্তি-নির্ভর ও আধুনিক নাগরিক সুবিধার শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে “চট্টগ্রাম ২.০” নামে একটি নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে নগরীর চকবাজারের ঘোলজার টাওয়ারে এক মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।

সংগঠনের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামকে বারোটি ‘সিস্টার সিটি’র সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ “চট্টগ্রাম সিটি সরকার” গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ছিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশ-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর চট্টগ্রাম নিয়ে কার্যকর কোনো আলোচনা আমরা দেখছি না। অথচ, নাগরিক সেবার দিক থেকে চট্টগ্রাম সবচেয়ে পিছিয়ে আছে। সাগর, নদী ও পাহাড়কে কাজে লাগিয়ে একে সিঙ্গাপুর বা ব্যাংককের মতো আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব।”

ইংলিশ অলিম্পিয়াডের প্রতিষ্ঠাতা আমান উল্লাহ বলেন, “চট্টগ্রামের মানুষের ভেতর উদ্যোক্তা চরিত্র সুপ্ত অবস্থায় আছে, সেই চরিত্রকে জাগ্রত করাই হবে আগামী দিনের কাজ।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, “আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। উন্নত বিশ্ব বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করেছে। আমাদেরও উদ্যোগী হতে হবে।”

লন্ডন প্রবাসী উদ্যোক্তা দেলোয়ার আহসান খান এবং রাজনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব ছিল, যা পূরণে ‘চট্টগ্রাম ২.০’-এর মতো নাগরিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আতাউর রহমান, বিএম নজরুল ইসলাম, মশিউর রহমান, দেবজিৎ মুৎসুদ্দি, অর্নিবান বিশ্বাস, আল ইহসান, তাইবা নুসরাত, আশফিকা আনিলা, নিশিথা মহাজন, সানজিদা ওয়াসি, নাহিদুল ইসলাম, শুভা, নুইশাইবা বিনতে আলতাফ, মাফি এবং পূর্ণতা।