
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে তারা এই ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমানের সই করা বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, শনিবার জামায়াত নেতার এক বক্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে ‘জমিদার ভবন লেখা’ শীর্ষক একটি কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ সময় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া দুই ছাত্রীর পরিচয়পত্রের ছবি তুলে তাদের পরিবারকে ডেকে আনার হুমকি দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আসন থেকেই যখন নারী শিক্ষার্থীদের এভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়, তখন বহিরাগতদের হাতে নারী নিপীড়ন হওয়া খুব স্বাভাবিক। নারী শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্যায় হলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। জুলাই–পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার রুদ্ধ করার চেষ্টা অন্যায়।”
তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি কোনো নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা বা হুমকি দেওয়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করিনি। বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তারা কখনোই শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।”
