
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এক যুবদল নেতাকে অপহরণ করে নির্যাতন ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) লোহাগাড়া উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. জহির উদ্দীনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী যুবদল নেতা মোহাম্মদ ফারুক হোসেনের বোন সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে লোহাগাড়া থানায় এই মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত এনসিপি নেতা অবশ্য ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর যুবদল নেতা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন তার অসুস্থ পিতাকে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় ৭-৮ জন ব্যক্তি তাকে মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, তাকে একটি বাসায় নিয়ে গিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, হত্যাচেষ্টা এবং জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনায় ফারুকের ভগ্নিপতি মো. ইসমাইল হোসেন লামা থানায় জানালে লোহাগাড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় একটি বাসা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— উপজেলার সদর ইউনিয়নের আরিয়ান হাসান, আরিফুল্লাহ, মো. খালেদ, টুটুল আজম; কলাউজান ইউনিয়নের তৌহিদুল ইসলাম আরাফাত এবং বড়হাতিয়া ইউনিয়নের মো. মহিউদ্দীন।
অভিযোগের বিষয়ে এনসিপি নেতা মো. জহির উদ্দীন বলেন, “এ ঘটনায় আমি কোনোভাবে সম্পৃক্ত নই।”
লোহাগাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার জাহেদ হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “যুবদল নেতাকে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
