
আওয়ামী লীগের এক নেতাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে দলেরই এক জ্যেষ্ঠ নেতা চেষ্টা করছেন—ফেসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর এক কর্মীকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এ ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত কর্মীর নাম মো. রুবেল আনসারী। তিনি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সেলিমকে একটি মামলায় থানায় সোপর্দ করেন জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এর কিছুক্ষণ পর উপজেলা জামায়াতের রুকন মো. জাহাঙ্গীরও থানায় যান।
এ সময় রুবেল আনসারী ফেসবুক লাইভে এসে দাবি করেন, আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমকে ছাড়িয়ে নিতে মো. জাহাঙ্গীর থানায় এসেছেন।
এই ঘটনার পর বুধবার রাতে মো. রুবেল আনসারীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বহিষ্কারের পর রুবেল আনসারী অভিযোগ করেছেন, ‘সত্য কথা বলায়’ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নিজেই আওয়ামী লীগ নেতাকে ধরে থানায় নিয়েছি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই মো. জাহাঙ্গীর তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। কোনো রকম তদন্ত না করেই এ ঘটনায় আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. জাহাঙ্গীরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে উপজেলা জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান জানান, রুবেল আনসারী দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় দায়িত্বশীল নেতাদের সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টার অভিযোগের বিষয়ে মিজানুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পুলিশ জানিয়েছে, মোহাম্মদ সেলিমকে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
