চট্টগ্রামে কমিউনিটি সেন্টারের ভাড়া নিয়ে ‘নৈরাজ্য’, ক্যাবের উদ্বেগ


চট্টগ্রামে কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হলগুলোর বিরুদ্ধে ভাড়া ও খাবার সরবরাহের নামে ‘চরম নৈরাজ্য’ চালানোর অভিযোগ তুলেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, সিটি করপোরেশন বা জেলা প্রশাসনের কোনো ধরনের নজরদারি না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছামতো ‘গলাকাটা বিল’ আদায় করছে।

বিবৃতিতে ক্যাব অভিযোগ করে, বিয়ে বা যেকোনো অনুষ্ঠানের জন্য কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া, সাজসজ্জা, খাবার সরবরাহসহ নানা ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে হলের নির্ধারিত প্রতিষ্ঠান থেকেই উচ্চমূল্যে সাজসজ্জার কাজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং লাইট বা চেয়ারের জন্যও আলাদা ভাড়া গুণতে হয়।

এতে আরও বলা হয়, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিয়ের লগ্নের সময় এই খরচ তিন থেকে পাঁচগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, অনেক প্রতিষ্ঠান ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে এবং খাবার তৈরিতে নিম্নমানের ও ক্ষতিকর উপকরণ ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

ক্যাবের পক্ষ থেকে কমিউনিটি সেন্টারগুলোর ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সরকারিভাবে নির্ধারণ করে দেওয়ার পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে তদারকি অভিযান জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ম সম্পাদক মো. সেলিম জাহাঙ্গীর, দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান।

এছাড়াও স্বাক্ষর করেন যুব ক্যাবের সভাপতি আবু হানিফ নোমান এবং পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপের মুসা খান, আবু মোশারফ রাসেল ও সাঈদুর রহমান মিন্টু।