
চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে অপহরণের পর বিক্রি করে দেওয়া পাঁচ মাস বয়সী এক শিশুকে ১৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়ন থেকে অপহৃত শিশু মো. আদিয়াতকে মঙ্গলবার বিকেলে চন্দনাইশ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটিকে কিনে নেওয়ার অভিযোগে এক নারীকে আটক করা হলেও মূল অপহরণকারী পলাতক রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাঁশখালী থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) সোহানুর রহমান সোহাগ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সোমবার দুপুরে ছনুয়া ইউনিয়নের মনজুর আলমের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে মো. আদিয়াতকে তাদের প্রতিবেশী মো. রিদুয়ান (৩২) কোলে নেয়। শিশুটির বাবা মনজুর আলম ছেলেকে তার মা কুলসুমার কাছে দিয়ে আসতে বলে পাশের দোকানে যান। কিন্তু রিদুয়ান শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে মনজুর আলম থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অপহরণকারী রিদুয়ানের অবস্থান চন্দনাইশে শনাক্ত করে।
বাঁশখালী থানার এসআই মো. জামাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চন্দনাইশ থানা পুলিশের এসআই রাকিব ও এসআই নয়নের সহায়তায় অভিযান চালায়।
অভিযানে চন্দনাইশের মুরাদাবাদ এলাকা থেকে নাজিম উদ্দীনের স্ত্রী রোবাইদা সুলতানা তানজুর (২৮) কাছ থেকে শিশু আদিয়াতকে উদ্ধার এবং তানজুকে আটক করা হয়। তানজু এক লক্ষ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে কিনে নিয়েছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এএসপি সোহানুর রহমান সোহাগের সঙ্গে বাঁশখালী থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার মূল হোতা মো. রিদুয়ানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, ১৬ ঘণ্টা পর একমাত্র সন্তানকে ফিরে পেয়ে বাবা মনজুর আলম ও মা কুলসুমা বেগম পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
