
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় এক বনপ্রহরীসহ মোটরসাইকেলের তিন আরোহী আহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।
বুধবার ভোররাত ৪টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী হাইস্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন বনবিভাগের মেদাকচ্ছপিয়া বিটের বনপ্রহরী মো. আরমান হোসেন (২৮), মেদাকচ্ছপিয়া সিপিজি (কমিউনিটি প্যাট্রোল গ্রুপ) দলের সদস্য আবুল কাসেম (৪৪) ও হেডম্যান মকতুল হোসেন (৫০)।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানে টহল দিয়ে বনকর্মীরা মোটরসাইকেলযোগে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন।
ওসি বলেন, “পথিমধ্যে খুটাখালী হাই স্কুল এলাকায় পৌঁছালে কক্সবাজারমুখী বেপরোয়া গতির মারছা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রে-ব-১৫-৮৮৬১) পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে আরোহীরা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।”
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাশিক আহসান জানান, ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ মালুমঘাট খ্রীষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাশিন আহসান বলেন, “বনপ্রহরী আরমান হোসেনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সকাল সাতটার দিকে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
আহত আরমান চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বসুয়া গ্রামের মাহবুব আলমের ছেলে। অপর আহত আবুল কাসেম খুটাখালী ইউনিয়নের উত্তর মেদাকচ্ছপিয়া গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে এবং মকতুল হোসেন মধ্য মেদাকামী গ্রামের মৃত কবির আহমদের ছেলে।
হাইওয়ে থানার ওসি মেহেদী হাসান আরও জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে বাসটি জব্দ করা হলেও চালক ও তার সহকারী কৌশলে পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
