চট্টগ্রাম : ”একুশে পত্রিকার প্রতি অগণন দুর্বলতা-ভালোবাসার কথা জানিয়ে পত্রিকাটির আরো সাফল্য কামনা করেছেন মানবতার জীবন্ত কিংবদন্তি, বিশ্ব পরিব্রাজক ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই।
তিনি বলেন, সুদুর ভারতবর্ষে থেকেও চট্টগ্রামের প্রিয় এই পত্রিকাটির পাতায় চোখ রাখার চেষ্টা করি। পত্রিকাটির নিত্যনতুন অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতায় চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে গৌরববোধ করি। আমার উপলব্ধি- গৎবাঁধা আর সস্তা সাংবাদিকতার খোলস থেকে বেরিয়ে একুশে পত্রিকা একেবারে নতুন, ব্যতিক্রম, সত্যনিষ্ঠ পথ ধরে চলছে, তা পত্রিকাটির প্রিন্ট আর অনলাইন ভার্শনের পাতায় পাতায় পরিস্ফুটিত।’
সোমবার চট্টগ্রামের রেলওয়ে অফিসার্স রেস্ট হাউজে একুশে পত্রিকার সম্পদনা পর্ষদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
৭ দিনের ব্যক্তিগত সফরে গত ১৩ ডিসেম্বর ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই চট্টগ্রাম আসেন। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, রাউজানের আদ্যাপীঠ মন্দির পরিদর্শন, বাঁশখালীর সাধনপুরে প্রয়াত বাবা-মার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার ১ টা ১০ মিনিটের ফ্লাইটে তিনি কোলকাতার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ছাড়েন।
একুশে পত্রিকা পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় পরামর্শক নজরুল কবির দীপু, পরামর্শক অ্যাডভোকেট রেহানা বেগম রানু, সম্পাদক আজাদ তালুকদার, সহকারী সম্পাদক আলম দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামের আলোকোজ্জ্বল সন্তান, কোলকাতা দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সংঘ আদ্যাপীঠ-এর জেনারেল সেক্রেটারি ও ট্রাস্টি, ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই প্রচণ্ড ব্যস্ততার মাঝেও একুশে পত্রিকা পরিবারকে স্মরণীয় কিছু মুহূর্ত উপহার দেয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পত্রিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই।
এসময় একুশে পত্রিকার পক্ষ থেকে মুরাল ভাইয়ের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। একুশের প্রিন্ট ভার্সনের ধারাবাহিক কয়েকটি সংখ্যাও এসময় চেয়ে নেন মুরাল ভাই।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই একুশে পত্রিকা এবং চট্টগ্রাম ফাইট ফর উইমেনস রাইটস কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি একুশে পত্রিকার ভূয়শী প্রশংসার পাশাপাশি নারীনেত্রী অ্যাডভোকেট রেহানা বেগম রানুর নারীর ক্ষমতায়ন, বাল্যবিয়ে রোধসহ নানা কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এবং ঘুরে ঘুরে এই সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের ছবি দেখে আপ্লুত হন।
