
বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতা আসলাম চৌধুরী দল থেকে পদত্যাগের গুঞ্জনকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেছেন। মনোনয়ন না পাওয়ার প্রতিবাদে তার সমর্থকরা মহাসড়কে সহিংসতা ও অবরোধ করার ঘটনায় চার অনুসারীকে দল থেকে বহিষ্কার করার দিনই আসলাম চৌধুরীর পক্ষ থেকে এই বার্তা এলো।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘সীতাকুণ্ডের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা আসলাম চৌধুরী এফসিএ দল থেকে পদত্যাগ করেছেন মর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা পুরোপুরি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ সীতাকুণ্ড তথা চট্টগ্রাম-৪ নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের এই ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
আসলাম চৌধুরীর মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা আবু তাহের জানান, এগুলো আগের একটি ফটোকার্ড থেকে ভিত্তিহীন কিছু লেখা লিখে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা এর আগে যে প্যাডে প্রেস রিলিজ লিখতাম ওখান থেকে কপি করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। বাস্তবে এমন কিছু ঘটে নাই।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আসলাম চৌধুরী বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে যে মিথ্যা রটনা চালানো হচ্ছে তা মোটেও সত্য নয়। তিনি “দলের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।” আসলাম চৌধুরীর পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি কুচক্রি মহল বিভ্রান্তি তৈরি করে ফায়দা হাসিলের জন্য এমন জঘন্য অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
এর আগে, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মহাসড়ক অবরোধ ও সহিংসতার ঘটনায় আসলাম চৌধুরীর চার অনুসারীকে বহিষ্কার করা হয়। মঙ্গলবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃতরা হলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সীতাকুণ্ড উপজেলার সভাপতি আলাউদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন বাবর, সীতাকুণ্ড পৌর আহ্বায়ক মামুন এবং সোনাইছড়ি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মমিন উদ্দিন মিন্টু।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সোমবার সন্ধ্যার পরে সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কদমরসুল, ভাটিয়ারী বাজার, জলিল গেইট এলাকায় ‘সহিংসতা, হানাহানি ও রাস্তা অবরোধ’সহ জনস্বার্থবিরোধী নানা কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় তাদের দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
