শেখ হাসিনার বিয়ের অন্যতম স্বাক্ষী মিয়া ফারুকী আর নেই

farukiচট্টগ্রাম: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, রাজনীতিবিদ, লেখক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিয়ের অন্যতম স্বাক্ষী মিয়া আবু মুহাম্মদ ফারুকী আর নেই। শুক্রবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী শোয়েব ফারুকী ও পাহাড়তলীর আর্ন্তজাতিক চক্ষু হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা শহীদ ফারুকীর বাবা।

শোয়েব ফারুকী জানান, মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা বাদ জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ গ্রামের বাড়ি পটিয়াল কচুয়াই ইউনিয়নের ফারুকী পাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাদে আসর দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, মিয়া ফারুকী ১৯৩৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পটিয়ায় উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ফারুকীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে করে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগ দেন তিনি। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ও জোরালো ভ’মিকা পালন করেন। রাজনৈতিক স্বার্থে তিনি ১৯৫৮ সালে কারাবরণ ও বিভিন্ন সময়ে তাকে ৬-৭ বার কারাবরণ করতে হয়। ১৯৬০ সালে চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মিয়া ফারুকী। তিনি চট্টগ্রাম রাইফেল ক্লাবে ১৯৬৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিয়ের সাক্ষী ছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তিনি নিজেকে রাজনীতি থেকে গুটিয়ে নেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন।