ফটিকছড়ির ‘বিতর্কিত’ সেই শিক্ষা কর্মকর্তা অবশেষে বদলি


চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ঘুষ ও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আলোচনায় আসা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউইও) মো. আজিমেল কদরকে অবশেষে বদলি করা হয়েছে। তার সাম্প্রতিক পুনর্বহালে শিক্ষক সমাজে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিলে গত ১১ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে তাকে নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলায় বদলি করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-১) মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত আদেশে তাকে এই বদলি করা হয়।

এর আগে, গত ২৩ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে মো. আজিমেল কদরকে ফটিকছড়িতে পুনর্বহাল করা হয়েছিল। এই খবরে শিক্ষক সমাজে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ওঠে। শিক্ষকরা তার উপস্থিতিতে অফিস কার্যক্রম বর্জনেরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

শিক্ষক নেতা রহিমা বেগম বলেন, “আমরা কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ছিলাম না, কিন্তু শিক্ষা অফিসকে সবার আস্থার জায়গা বানাতে হলে বিতর্কিত ব্যক্তিদের না রাখাই উত্তম। অবশেষে মো. আজিমেল কদরকে অন্যত্র বদলি করায় শিক্ষক মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।”

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে উপজেলার বেড়াজালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার কাছ থেকে বদলির বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণের সময় মো. আজিমেল কদরকে দুদকের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়েন। ২০২০ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর বিচার শেষে ২০২০ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ বিচারিক আদালত মো. আজিমেল কদরকে ২ বছর ৬ মাসের সশ্রম দণ্ড ও জরিমানা করেন।