সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত হাটহাজারী গড়ার অঙ্গীকার জমিয়ত প্রার্থীর


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ আংশিক) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির বলেছেন, তিনি নেতা নন, জনগণের সেবক হতে চান।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাটহাজারী পৌরসদরের কনক কমিউনিটি সেন্টারে তার সমর্থনে আয়োজিত ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

নিজেকে হাটহাজারীর গণমানুষের ‘পরীক্ষিত বন্ধু’ উল্লেখ করে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন মুনির বলেন, “২০১৪ সালে আপনারা আমাকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন। তখন সাধ্যমতো প্রান্তিক ও মজলুম মানুষের পাশে থেকে মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডাসহ সর্বস্তরে সেবা করার সুযোগ হয়েছে। আমি দুর্নীতিমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করেছি।”

তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, নির্বাচিত হলে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে হাটহাজারীকে একটি মডেল জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যেখানে কোনো সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজ থাকবে না।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা মুফতী খলিল আহমদ কুরাইশী কাসেমী বলেন, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব হাটহাজারী গড়তে যোগ্য ও নীতি-নিষ্ঠ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। একজন আলেম এমপি হলে তিনি সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন। হাটহাজারীর মানুষ আলেম সমাজের প্রতি আস্থাশীল।

হাটহাজারী মাদ্রাসার সদরুল মুদাররিস ও শায়খুল হাদীস আল্লামা শেখ আহমদ বলেন, “মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির আমার হাতে গড়া ছাত্র। বিগত সময়ে আমার পরামর্শে সে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে। দায়িত্ব পালনকালে সে এক টাকারও দুর্নীতি করেনি।”

সভাপতির বক্তব্যে হাটহাজারী মাদ্রাসার মুঈনে মোহতামিম আল্লামা মুফতী জসিম উদ্দিন বলেন, হাটহাজারীর মানুষ উন্নয়ন, শান্তি এবং ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব চায়। অভিজ্ঞ ও সৎ আলেম প্রার্থী হিসেবে নাছির উদ্দিন মুনির এই অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এমরান সিকদারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা শাহ আহমদ দীদার কাসেমী, আল্লামা ফোরকান আহমদ ও আল্লামা ওমর কাসেমী, চারিয়া মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা ওসমান সাঈদী, মেখল মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা ওসমান ফয়জী, ফতেপুর নাছেরুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মদুনাঘাট ইউনুসিয়া মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা শিহাব উদ্দিন, খন্দকিয়া কাশেমুল উলূম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আমির উদ্দিন, জামিয়া উম্মুল ক্বোরার পরিচালক মাওলানা আবু তৈয়ব আব্দুল্লাহপুরী, জামিয়া রশিদিয়ার পরিচালক মুফতী আব্দুল আজিজ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন গড়দুয়ারা মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ইদরিস, মাদার্শা মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ইবরাহীম, ইছাপুর মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ নোমানী, দারুস সুফফাহ মাদ্রাসার পরিচালক মুফতী সিরাজ উল্লাহ, শাহ ওয়ালিউল্লাহ মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা সফিউল্লাহ, বাথুয়া মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মুফতী উবাইদুল্লাহ, চারিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা শেখ আহমদ, মেখল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী, মাওলানা কাজী নূরুল আলম, পটিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা আখতার, বোয়ালিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা জাফর আহমদ, নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক মাওলানা হাবিবুল্লাহ নদভী, আল আমিন সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, চারিয়া মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মুফতী তৈয়ব কাসেমী, হাটহাজারী মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা শোয়াইব আলমপুরী ও মাওলানা আনোয়ার শাহ আযহারী, মেখল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষা পরিচালক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, মাওলানা আলমগীর মাসউদ আরবনগরী, মাওলানা হাফেজ আলী আকবর, মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন, মাওলানা ইয়াছিন, মাওলানা আব্দুল্লাহ, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মুফতি বশিরুল করিম, মুফতী তৌহিদ আহমদ ও মাওলানা আব্দুল মাবুদ প্রমুখ।