
সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক সম্প্রসারণ ও মাঝখানে বিভাজক (ডিভাইডার) স্থাপনের দাবিতে হাটহাজারীতে মানববন্ধন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাটিরহাট বাজারে ধলই ও ফরহাদাবাদ এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, গত কয়েক দিনে এই সড়কে দুর্ঘটনায় হাটহাজারী ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এমরান চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম আরিফসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মাত্র আট দিনের ব্যবধানে এসব প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বক্তারা বলেন, চারিয়া এলাকায় অবৈধ চাঁদের গাড়ির (জিপ) বেপরোয়া গতির কারণেই এমরান ও আরিফের মৃত্যু হয়েছে। তারা অবিলম্বে এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন এবং সড়ক প্রশস্থ করে ডিভাইডার স্থাপন না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
ছাত্রনেতা শফিউল আজম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাজিম চৌধুরী ও জিয়াউদ্দীন রিপনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কাটিরহাট মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব রাশেদুল আলম চৌধুরী, কাটিরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আবুল কাশেম, গাউছিয়া মুনীরিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শহীদুল্লাহ ফারুকী ও গাউছিয়া কমিটি ধলই ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রুকন উদ্দীন চৌধুরী।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ, ব্যবসায়ী জাহেদ তালুকদার, আমজাদ হোসাইন, মনজুরুল হোসাইন, সাবেক ছাত্রনেতা গাজী দিলদার, হাবিবুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল মজিদ ও হাটহাজারী সমিতির সদস্য জামাল উদ্দীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর মির্জাপুর ইউপির চারিয়া বুড়িপুকুর পাড়, সরকারহাট বাজার এবং পৌরসভার আব্বাসিয়ারপুল এলাকায় একই দাবিতে মানববন্ধন করেছিলেন এলাকাবাসী।
