চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থী বদল: সীতাকুণ্ডে আসলাম চৌধুরী, ১০ আসনে নোমানপুত্র


আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের দুটি সংসদীয় আসনে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তন করে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর আংশিক) আসনে দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-হালিশহর) আসনে প্রয়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আগে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হলেও সেখানে পরিবর্তন এনে সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এখন চট্টগ্রাম-১১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন।

এর আগে শনিবার বেলা ১১টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জলিল গেট এলাকায় নিজ বাড়িতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। সেখানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র প্রদর্শন করেন। সভায় আসলাম চৌধুরী বলেন, কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ধানের শীষের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে জনমত গঠন করেছেন। তিনি দলের পরীক্ষিত নেতা। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে জয়ী করে আনতে হবে।

প্রার্থী পরিবর্তনের বিষয়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, চট্টগ্রামে দুটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হয়েছে। চট্টগ্রাম-৪ আসনে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাঈদ আল নোমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীই নির্বাচন করবেন।

তবে শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পরিবর্তনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

উল্লেখ্য, গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনে দলের যে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিলেন, তাতে চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম ছিল। চূড়ান্ত মনোনয়নে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হলো।