চকরিয়ায় কৃষি জমির মাটি কাটছিল চক্রটি, ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পলায়ন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) অবৈধভাবে কাটার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি স্কেভেটর অকেজো করে দেওয়া হয়েছে এবং জড়িত এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার উপকূলীয় কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপায়ন দেব।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় মাছের ঘের তৈরির কথা বলে জমির মালিকের সঙ্গে চুক্তি করে একটি চক্র কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল। পরিবেশ সচেতন মহলের অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার বিকেলে সেখানে অভিযান চালায় প্রশাসন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই মাটি কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও চক্রের সদস্যরা দ্রুত পালিয়ে যান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপায়ন দেব জানান, অভিযানকালে ঘটনাস্থলে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি স্কেভেটর পাওয়া যায়। পরে গাড়িগুলো অকেজো করে দেওয়া হয় এবং ব্যাটারিগুলো খুলে জব্দ করা হয়। এ সময় এহছান হাবিব মামুন নামের এক ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

তিনি আরও জানান, কৃষি জমি সুরক্ষায় প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া মাটি বিক্রি করে মাছের ঘের তৈরির প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত জমির মালিকের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।