
যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে খানিকটা সময় কাটানো আর শৈশবের স্মৃতি রোমন্থনের লক্ষ্যে এক ছাদের নিচে মিলিত হয়েছিলেন বাঁশখালীর দুই স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। বন্ধুত্ব অটুট রাখার প্রত্যয়ে আয়োজিত এসএসসি ২০০৩ ব্যাচের এই বর্ণাঢ্য পারিবারিক মিলনমেলা পরিণত হয়েছিল আনন্দ ও আবেগের মিলনস্থলে।
গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বোট ক্লাবে দিনব্যাপী এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে বাঁশখালীর কালীপুর এজহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয় ও নাসেরা খাতুন আর কে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৩ ব্যাচের শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন।
কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল মধ্যাহ্নভোজ, ফটোসেশন, শিশুদের জন্য খেলাধুলা এবং আকর্ষণীয় র্যাফল ড্র। দীর্ঘ দিন পর একে অপরকে কাছে পেয়ে পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন বন্ধুরা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা দলবেঁধে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও কর্ণফুলী টানেল ভ্রমণে যান।
আয়োজন সম্পর্কে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) সরফভাটা শাখার ব্যবস্থাপক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে প্রথমবারের মতো এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”
আয়োজকরা জানান, এই পুনর্মিলনী শুধু স্মৃতির ঝালকর নয়, বরং ভবিষ্যতেও পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব অটুট রাখার একটি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে।
মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান, সাইমুন উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, আবিদ উদ্দিন খোকা, মহিউদ্দিন, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বেলাল উদ্দিন, মো. শোয়েব, আনোয়ার হোসেন, সুমন ধর, রিংকন চৌধুরী, আশেকুল ইসলাম সায়েম, সুজন বিশ্বাস, জিয়া মোস্তফা, জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, মো. হাশেম, রুবেল দেবনাথ, রন্টু দাস, নাদিয়া হক, উম্মে আবিদা হোসেন এলি, উম্মে হাবিবা সোনিয়া, মেরিনা সুলতানা (লাভলী), রিনা আক্তার ও সাবরিন রুবিসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা।
এছাড়া কর্মব্যস্ততা ও দূরত্বের কারণে যারা সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তারাও অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন—সাইমা পারভীন, সাইয়্যেদ মোহাম্মদ কুতুবুদ্দিন, মনসুর মিয়া, আজিজ আহমেদ, কায়সার উদ্দিন রুবেল, সাইফুদ্দিন মাহমুদ সাগর ও আইয়ুবুল ইসলাম অভি।
