জোটের সমর্থন পেয়ে পটিয়ায় মাঠে জামায়াত, পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব


চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের পূর্ণ সমর্থন পাওয়ার পর নির্বাচনী মাঠে নতুন করে জোয়ার সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গত বৃহস্পতিবার এলডিপির প্রার্থী এম ইয়াকুব আলী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে জামায়াত প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে সমর্থন দেওয়ার পর থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করেছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। জোটের একক প্রার্থী হিসেবে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল থেকেই বিরামহীন গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করেছেন ডা. ফরিদুল আলম।

শুক্রবার সকালে তিনি পটিয়া উপজেলার খরনা এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা মরহুম আব্দুল আজিজের কবর জিয়ারত করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। ব্যাংক কর্মকর্তা আজিজ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের প্রতি কঠোর আহ্বান জানান তিনি।

গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশে ডা. ফরিদুল আলম বলেন, “নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং পটিয়াকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। শান্তির প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমাকে সেবা করার সুযোগ দিন।”

এদিকে একই দিনে উপজেলার জিরি ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলটি ফকিরা মসজিদ থেকে শুরু হয়ে মালিয়ারা বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

প্রার্থীর গণসংযোগকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাদেক হোসেন, পেশাজীবী সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক, কচুয়াই ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ফখরুল আজিম, সহ-সভাপতি নুরুল আজিম, শওকত আলী, কুশুবুল আলম, জুনায়েদ ফারুক, আব্দুর রহমান ফারুক, বেলাল হোসেন, মোহাম্মদ শফি, পটিয়া শহর ছাত্রশিবির সভাপতি মাহবুব উল্লাহ ও পটিয়া সরকারি কলেজ শিবির সভাপতি আবুল হাসান জুবায়ের প্রমুখ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এলডিপি সরে দাঁড়ানোয় এবং জামায়াতের এই জোরালো প্রচারণায় পটিয়ার নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।