
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক ঘোষণা দিয়েছেন, নির্বাচিত হলে চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় চিংড়িজোনের সব ধরনের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে। একইসঙ্গে তিনি লবণ ও মৎস্যচাষিদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কতিপয় দখলবাজ সন্ত্রাসীদের কঠোর হাতে নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, “ইনশাআল্লাহ জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে নির্বাচিত হলে মৎস্যচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে চিংড়ি ঘেরগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।”
এর আগে শনিবার সকালে তিনি চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং এলাকায় গণসংযোগ করেন। সেখানে হাজারো মানুষ তার সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নেয়। পরে বিকেল ৩টা থেকে চিরিঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে নারী-পুরুষরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার আগে আবদুল্লাহ আল ফারুক চিরিঙ্গা ইউনিয়নের পালাকাটা গ্রামে যান। সেখানে তিনি সাব-রেজিস্ট্রার ফররুখ আহমদ, মাওলানা ওবাইদুল হাকীম, এম মেবারক আলী, আব্বাস মাস্টার, কফিল উদ্দীন, মাওলানা আহমদ হোসাইন ও জাকের আহমদ মেম্বারসহ স্থানীয় প্রয়াত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কবর জিয়ারত করেন।
চিরিঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুন্নবীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি কফিল উদ্দিনের সঞ্চালনায় পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, চকরিয়া উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক, চকরিয়া উপজেলার সাবেক আমীর মাওলানা মোজাম্মেল হক, সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমেদ ফারুকী এবং এনসিপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন।
একই দিন রাতে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে অনুষ্ঠিত অপর একটি পথসভাতেও বক্তব্য রাখেন আবদুল্লাহ আল ফারুক।
