
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেছেন, চকরিয়া-পেকুয়ার মাটিতে আমরা অতীতে কাউকে রাজনৈতিক হয়রানি করিনি, মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে কাউকে জেলেও দিইনি। ইনশাআল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের ভোটে এমপি নির্বাচিত হলেও এই জনপদে কাউকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হয়রানি করব না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের নির্বাচনী এলাকা পেকুয়া উপজেলার বারবাকুয়িা ইউনিয়নে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সাধারণ জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোট প্রার্থনা করেন।
প্রতিহিংসার রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, বিগত সময়ে যারা রাজনৈতিক হয়রানির মাধ্যমে মামলা, হামলা ও নির্যাতন করেছে এবং প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চকরিয়া–পেকুয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের গণহারে ছাঁটাই করে জনগণকে কষ্ট দিয়েছে, এসব অপকর্মে জামায়াতে ইসলামীর কেউ জড়িত ছিল না। উল্টো যারা এসব হয়রানি করেছিল, পরিস্থিতির পরিবর্তনে তারা এখন আবার ভুক্তভোগীদের পা ধরছে।
গণসংযোগকালে আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা, বারবাকুয়িা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা বদিউল আলম জিহাদি, ছাত্রশিবির পেকুয়া উপজেলা সভাপতি আব্দুর রশিদ এবং বারবাকুয়িা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মনজুর আলম। এছাড়া সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক গণসংযোগে অংশ নেন।
