
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) পটিয়া উপজেলা সভাপতি মনছুর আলম বলেছেন, ৫ আগস্টের পর একটি দল দেশের সকল মিল-কারখানা দখল করে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। চব্বিশের আন্দোলনে ওই দলটি সম্পৃক্ত ছিল না বলে তাদের মহাসচিব নিজেই স্বীকার করেছেন। অথচ এখন তারা চব্বিশের আন্দোলনকেও স্বীকার করতে চাচ্ছে না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা ডাক্তার ফরিদুল আলমের (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) সমর্থনে আয়োজিত যৌথ মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে মনছুর আলম বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান না হলে তারেক রহমান দেশে আসতে পারতেন না এবং তার মা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পারতেন না। দেশের মানুষ এবার ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দেবে।
পটিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও কালারপোল থানা আমীর মাস্টার নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় জোটের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডাক্তার ফরিদুল আলমের প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী শাহজাহান মহিউদ্দীন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ এবার পরিবর্তন চাচ্ছে। ভোটাররা আর পুরনো ও পচা রাজনীতি পছন্দ করছে না। তাই ইনসাফের পক্ষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পটিয়ায় ব্যালট বিপ্লব হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা এলডিপির সেক্রেটারি আইয়ুব আলী, পটিয়া পৌরসভা এলডিপির সভাপতি গাজী আমির হোসেন, পটিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর সেলিম উদ্দীন, পৌরসভা এলডিপির সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা গণতান্ত্রিক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. সৈয়দ, পটিয়া উপজেলা এলডিপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদের জামান, দক্ষিণ জেলা গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিনুল হক তামিম এবং পটিয়া পৌরসভার সভাপতি রাকিব চৌধুরী প্রমুখ।
