প্রচারণায় যেন ‘হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা’ সালাহউদ্দিন, যেদিকে যান সেদিকেই জনস্রোত


বিএনপিপন্থী ভোটার ও সাধারণ জনতার কাছে তিনি যেন আধুনিক সময়ের ‘হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা’। যেদিকে যাচ্ছেন, সেদিকেই নামছে মানুষের ঢল। তার উপস্থিতির খবর পেলেই ঘর ছেড়ে ছুটে আসছে আবালবৃদ্ধবনিতা। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতিদিনের প্রচারণায় মিলছে এমনই চিত্র। দিন যত গড়াচ্ছে, চকরিয়া-পেকুয়ায় ধানের শীষের জনসমর্থনের স্রোত ততই বেগবান হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়া উপজেলার বরইতলি ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। সকাল থেকেই তিনি ওই ইউনিয়নের হাফালিয়া কাটা, ল্যাং মিজ্জিপাড়া, সবুজ পাড়া, গোবিন্দপুর পশ্চিম পাড়া, গোবিন্দপুর পূর্ব পাড়া, দক্ষিণ পাড়া, সর্দারপাড়া, সিকদার পাড়া ও মৌলভীপাড়ার অলিগলিতে হেঁটে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় স্থানীয় সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে ঘিরে ধরেন। কেউ হাত মিলিয়ে, কেউবা সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। তার উপস্থিতিতে পুরো এলাকা স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। প্রবীণ মুরুব্বি থেকে শুরু করে তরুণ ভোটার—সবার চোখেমুখেই ছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে ঘিরে প্রত্যাশা আর আস্থার ঝিলিক।

স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর তারা এমন একজন জাতীয় নেতাকে নিজেদের খুব কাছ থেকে পেয়েছেন, যিনি তাদের কথা শোনেন, বোঝেন এবং দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেন। তাদের বিশ্বাস, এই নেতৃত্বই পারে অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন এবং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিতে।

গণসংযোগকালে জনতার উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মানুষের এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই তার রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি আমৃত্যু মানুষের পাশেই থাকবেন।

বরইতলির গণসংযোগ শেষে একই দিন বিকেলে তিনি পেকুয়া উপজেলার শিলখালী, রাজাখালী এবং রাতে মগনামা ও পেকুয়া বাজারের পৃথক জনসভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।