
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর উষ্ণ সংবর্ধনা পেলেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। শনিবার রাতে পটিয়া জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দিলে তাঁকে এই সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় তিনি স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল পেশা নয়, বরং ‘ইবাদত’ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ের পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংবর্ধনা।
শনিবার রাতে হাসপাতালের ৫ম বর্ষপূর্তি ও বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনামুল হক। সেখানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম মহিউদ্দীন মানিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাহাদুর খাদেমী তাঁকে ধানের শীষ প্রতীকের একটি ক্রেস্ট উপহার দেন।
সংবর্ধনার জবাবে এনামুল হক বলেন, “মানুষের মৌলিক অধিকার হলো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া। এই অধিকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা প্রদান শুধুমাত্র একটি সেবা নয়, এটি একটি ইবাদত এবং অন্যতম মহৎ কাজ। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।” পটিয়া জেনারেল হাসপাতাল সফলতার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. এ কে এম মহিউদ্দীন মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ, পরিচালক আমির হোসাইন, বেলাল হোসাইন, সাইফুল ইসলাম ও আনিসুল হক বক্তব্য রাখেন।
চিকিৎসকদের মধ্যে আলোচনা করেন ডা. ডেজী বড়ুয়া, ডা. কাজী ফারহানা নূর, ডা. গিয়াস উদ্দিন, ডা. নজমুল আবেদীন, ডা. এবিএম আবু সুফিয়ান, ডা. জুয়েল আলমদার, ডা. সুফিয়ান ফয়সাল, ডা. হাসানুর রশিদ, ডা. সাজ্জাদ ওসমান, ডা. আমিনুল ইসলাম, মার্শাল আহমেদ, ডা. সোমেন মিত্র, কবির আহমেদ ও খোরশেদ আলম।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম সওদাগর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা বদরুল খায়ের চৌধুরী ও মোজাম্মেল হক।
এছাড়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম এবং পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিপনসহ যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
