
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (সরকারি হাসপাতালে) চিকিৎসাধীন সব ধরনের রোগীর মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার আলোকে হাসপাতালের পুরুষ, মহিলা, শিশু ও গাইনি ওয়ার্ডসহ কেবিনে ভর্তি থাকা রোগীদের মাঝে ঈদের দিন গতকাল শনিবার (২১ মার্চ) সকালে সেমাই, মিষ্টি, পাউরুটি, কলা এবং দুপুরে সুস্বাদু মোরগ-পোলাও, ডিম ও সালাদসহ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া রাতে রোগীদের ভাতের সঙ্গে সবজি, মুরগির মাংস ও ডাল দেওয়া হয়েছে।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অন্যান্য সাপোর্টিং স্টাফ এবং হাসপাতালের অন্তর্বিভাগে ভর্তি হওয়া ও জরুরি বিভাগে আগত রোগীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. জায়নুল আবেদিন। একই সঙ্গে ডা. জায়নুল আবেদিন রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন সরাসরি তদারকি করেন। এ সময় ডা. জায়নুল আবেদিনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ম্যাগডালীন খগসী, হিসাবরক্ষক সৈয়দ হোসেন ও রোগী কল্যাণ কমিটির সদস্যবৃন্দ।
চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালের টিএইচও ডা. জায়নুল আবেদিন জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ঈদের ছুটিতে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার সরবরাহ এবং তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন এবং ডা. জায়নুল আবেদিন ও ডা. ম্যাগডালীন খগসীসহ অন্যরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ঘুরে রোগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বলে ডা. জায়নুল আবেদিন উল্লেখ করেন। এ ছাড়া হাসপাতালে আগত ও ভর্তি হওয়া রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয় বলে ডা. জায়নুল আবেদিন জানান।
ডা. জায়নুল আবেদিন আরও বলেন, খাবার পরিবেশনের পাশাপাশি ঈদের ছুটিতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি ও জরুরি অপারেশন থিয়েটার চালু রাখা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক চিকিৎসকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো, হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীরা যেন ঈদের দিনেও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা পান এবং মানসিকভাবে হাসপাতালে থেকেও নিজেদের বাড়ির মতো ঈদের আনন্দের অনুভূতি লাভ করেন। এই পুরো কার্যক্রমে ডা. ম্যাগডালীন খগসী এবং হিসাবরক্ষক সৈয়দ হোসেন সার্বিক সহযোগিতা করেন।
