- অভিযুক্ত ফয়সাল
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিখোঁজের দুদিন পর আরেফিন আকতার (১১) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা-পুলিশ। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের আমানবাজারের ইসহাক কলোনি এলাকার একটি তুলার কারখানা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া লাশটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও আমেনা বেগমের নিখোঁজ কন্যার। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। তাঁদের নিজ বাড়ি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট এলাকায়।
জানা যায়, গত ২৬ মার্চ দুপুরে আমানবাজারের ভাড়া বাসা থেকে শিশু আরেফিন আকতার নিখোঁজ হয়। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে না পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে আমানবাজারের বনফুলের পেছনে ওই তুলার কারখানার আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে সেখানে গিয়ে নিখোঁজ আরেফিন আকতারের মুখ থেঁতলানো লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করে।
নিহত শিশু আরেফিন আকতারের পিতা মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও মাতা আমেনা বেগমের দাবি, একই কলোনির ভাড়াটিয়া ফয়সাল তাঁদের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ লুকিয়ে রেখেছিল। তাঁরা অবিলম্বে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল বছরখানেক আগে বরিশাল থেকে এসে আমানবাজারের বনফুলের পেছনে ওই কলোনিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকা শুরু করে। তবে ঘটনার পর থেকেই ফয়সাল পলাতক রয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান শনিবার বিকেল ৩টার দিকে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তদন্ত সাপেক্ষে ওসি মো. জাহিদুর রহমান বিস্তারিত তথ্য পরে জানাবেন বলে উল্লেখ করেন।

