অবৈধ সম্পদ: বাঁশখালীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুলের ৭ বছরের কারাদণ্ড


জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রনি জানান, মুজিবুল হক চৌধুরী তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছিলেন।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, মুজিবুল হকের মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে অবশিষ্ট ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।

২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা পড়ার পর গত বছরের ৩ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।