
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ব্যবসায়ী আবুল কাশেম হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আবু তাহেরকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে এ মামলার প্রধান আসামি ইকবাল এখনো পলাতক রয়েছেন, তাকে খুঁজছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৪০ বছর বয়সী তাহের পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দারখীল এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।
পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির অর্থ সম্পাদক আবুল কাশেম ও তার দুই ভাইকে গত ১৫ এপ্রিল কুপিয়ে জখম করা হয়। এর পাঁচ দিন পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাশেম মারা যান। হামলায় আহত তার আরেক ভাই আবুল কালাম এখনো মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর পটিয়া থেকে পালিয়ে বগুড়া জেলায় আত্মগোপন করেছিলেন তাহের। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জুয়েল প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করেন। পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরিবার জানায়, ১৫ এপ্রিল নিজ পারিবারিক জায়গায় সংস্কার কাজ করছিলেন ব্যবসায়ী আবুল কাশেম। এ সময় ইকবাল ও আবু তাহেরসহ কয়েকজন মিলে তাকে এবং তার দুই সহোদরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। কাশেমের মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই আবুল মনছুর বাদী হয়ে পটিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী আবুল মনছুর বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ইকবালকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি। ইকবাল এর আগেও একটি হত্যা মামলার আসামি বলে জানান তিনি।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি আবু তাহেরকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামি ইকবালসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে পৃথক আরেক অভিযানে এসআই সমীর ভট্টাচার্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের হিলচিয়া বাজার এলাকা থেকে মো. আব্দুর রহিম নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। ৪০ বছর বয়সী রহিম ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে পটিয়ার শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের লাউয়ারখীল এলাকায় বসবাস করছিলেন। তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আটক করা হয়েছে।
