
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরোনো ভবনের দ্বিতীয় তলায় রোগীদের জন্য ‘হাম আইসোলেশন কর্নার’ চালু করা হয়েছে। দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসজনিত রোগ হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার অংশ হিসেবে আক্রান্ত রোগীদের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলার লক্ষ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগ নিয়েছে।
গত রোববার থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের পশ্চিম পাশে পুরোনো ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ‘হাম আইসোলেশন কর্নার’-এ রোগীদের ভর্তি করে নতুনভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জায়নুল আবেদিন।
ডা. জায়নুল আবেদিন বলেন, সারা দেশের মতো চকরিয়া উপজেলায় প্রথম দিকে যখন হাম-রুবেলায় আক্রান্ত শিশু ও রোগীদের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আনা হচ্ছিল, তখন তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নতুন ভবনের চারতলার একটি ওয়ার্ডকে ‘হাম আইসোলেশন কর্নার’ ঘোষণা করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল।
কিন্তু দিন দিন রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নতুন ভবনের ওই ওয়ার্ডের অপ্রতুল কেবিনে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছিল চিকিৎসকদের। এ অবস্থায় কক্সবাজারের নবাগত সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবেরের নির্দেশনায় হাম-রুবেলা রোগীর চাপ সামাল দিতে এবং আক্রান্তদের সুচারুভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য নতুন ভবনের চারতলার আইসোলেশন কর্নারটি পুরোনো ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনটি বড় কক্ষ একসঙ্গে মিলিয়ে নতুন করে এই আইসোলেশন কর্নারটি চালু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বড় পরিসরে সব ধরনের সুবিধাসংবলিত এই আইসোলেশন ওয়ার্ডে হাম-রুবেলা রোগের উপসর্গ নিয়ে আসা শিশু এবং নারী-পুরুষ রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগীদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবায় মেডিকেল অফিসার ও নার্সরা নিয়োজিত রয়েছেন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিসকাত উদ্দীন আহমদ এবং আমি নিজেই এই আইসোলেশন ওয়ার্ডের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছি।
