‘এখন টেলিভিশন’ কার্যালয় পরিদর্শনে বিজিসি ট্রাস্টের শিক্ষার্থীরা


শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন ঘটাতে ‘এখন টেলিভিশন’-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিস পরিদর্শন করেছেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের একদল শিক্ষার্থী।

শনিবার (২৩ মে) সকালে বিভাগের লেকচারার এবং সহকারী প্রক্টর সরওয়ার কামালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই মিডিয়া ভিজিট অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীরা এখন টেলিভিশনের কার্যালয়ে পৌঁছালে তাদের অভ্যর্থনা জানান চ্যানেলটির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের অতিথি শিক্ষক হোসাইন আহমদ জিয়াদ।

পরিদর্শনকালে হোসাইন আহমদ জিয়াদ শিক্ষার্থীদের একটি আধুনিক সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

কীভাবে মাঠপর্যায় থেকে সংবাদ সংগ্রহ করা হয় এবং নিউজরুমে প্রক্রিয়াজাত করে কারিগরি ধাপ পেরিয়ে দর্শকের পর্দায় পৌঁছায়—সেসব বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন তিনি।

পরে শিক্ষার্থীরা টেলিভিশনের চট্টগ্রাম নিউজরুম ও সম্পাদনা প্যানেল ঘুরে দেখেন এবং সম্প্রচার সাংবাদিকতার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে হোসাইন আহমদ জিয়াদ বলেন, বর্তমান বিশ্ব প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদেরও এই বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নিজেকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে আপডেট রাখার কোনো বিকল্প নেই।

হোসাইন আহমদ জিয়াদ আরও বলেন, আগামীর গণমাধ্যম হবে আরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর ও চ্যালেঞ্জিং। তাই পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি নিজেদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ এবং মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজমে পারদর্শী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

আয়োজনের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে লেকচারার সরওয়ার কামাল বলেন, শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালের মাঝে শেখা তাত্ত্বিক জ্ঞান তখনই পূর্ণতা পায়, যখন শিক্ষার্থীরা তা বাস্তবে দেখার সুযোগ পায়।

মূলত প্রথম বর্ষের ‘বেসিকস অব জার্নালিজম’ কোর্সের প্রায়োগিক অংশ হিসেবে এই মিডিয়া ভিজিটের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান সরওয়ার কামাল।

টেলিভিশন কার্যালয় পরিদর্শন শেষে শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক ‘চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রি’ পরিদর্শনে যান।

সেখানে শিক্ষক সরওয়ার কামাল শিক্ষার্থীদের ওয়ার সেমিট্রির প্রেক্ষাপট, বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের ইতিহাস এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফ করেন।

এ ধরনের বাস্তব অভিজ্ঞতা আগামীর পেশাগত পথচলায় দারুণভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।