
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছেন একদল আন্দোলনকারী।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার নাজিরহাট ঝংকার মোড় এলাকায় ‘সর্বস্তরের জনতা’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
অবরোধের কারণে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
পরে পুলিশ ও যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঝংকার মোড়ে অবস্থান নেন।
সেখানে তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, মহাসড়কে ডিভাইডার স্থাপন এবং সড়কের সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।
সড়ক অবরোধের কারণে দুই পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এতে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
খবর পেয়ে নাজিরহাট হাইওয়ে ও ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করে।
তবে দাবির বিষয়ে কোনো আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
একপর্যায়ে ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম খান আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত যুবদল নেতাকর্মীরা অবরোধকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা পিছু হটে সড়ক ছেড়ে চলে যান।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা শেখ মোহাম্মদ সুমন দাবি করেন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের আড়ালে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সদস্যরা সরকারবিরোধী পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছিল।
সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।
