চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, জেলেদের জীবনমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি


চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, জেলে সম্প্রদায়সহ প্রান্তিক সব জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নই তাঁর অঙ্গীকার। বর্তমান সরকার শোষিত-বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি চলতি অর্থবছরের বাজেটেও কয়েক পৃষ্ঠা পরপর নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের জেলে সম্প্রদায়ের সামগ্রিক জীবনমান পাল্টে যাবে এবং চট্টগ্রামের জেলেরা এর সুফল সবার আগে পাবেন বলে তিনি জানান।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের রাণী রাসমণি ঘাটে স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এসব কথা বলেন।

মতবিনিময়কালে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান ওই এলাকার কয়েক শ জেলে পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং অত্যন্ত মনোযোগসহকারে তাঁদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শোনেন।

জেলেদের আশ্বস্ত করে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, এক বছরের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের সুফল পাবে জেলে সম্প্রদায়৷ পিছিয়ে পড়া, ঝুঁকিতে থাকা, কষ্টে থাকা জনগোষ্ঠীর পাশে তিনি আছেন এবং থাকবেন।

জেলেদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও সুচিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে তিনি হালিশহরে সরকারি হাসপাতাল ও কালচারাল সেন্টারের দাবি সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠিয়েছেন। এই রাণী রাসমণি ঘাটের দৃশ্যপটও পাল্টে যাবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

আগামীতেও যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সংকটে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সবসময় তাঁকে পাশে পাওয়া যাবে উল্লেখ করে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, প্রান্তিক মানুষের সুখ-দুঃখ এবং ভালো-মন্দের খেয়াল রাখা তাঁর দায়িত্ব।

চাঁদাবাজি ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কাউকে কোনো ধরনের চাঁদা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাঁরা চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং জেলে সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।