
টানা ভারী বর্ষণ ও মাইনী নদীর পানি বেড়ে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার উপজেলার মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকা আংশিক প্লাবিত হওয়ায় রাঙামাটির লংগদু উপজেলার সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
টানা বৃষ্টির কারণে নদী, ছড়া ও খালগুলোতে পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ জানান, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে মাইকিং করে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
