দীঘিনালায় তৃতীয় দিনেও পানিবন্দি পাঁচ হাজার মানুষ


টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় তৃতীয় দিনেও প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন।

উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম এখনো প্লাবিত। বন্যাকবলিত এলাকার বহু পরিবার বাধ্য হয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, দীঘিনালা-সাজেক সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় দুই দিন পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

তবে দীঘিনালার মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়ক এখনো পানিতে তলিয়ে আছে। এর ফলে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের নিরাপত্তায় ১০১টি যানবাহনে করে তাদের খাগড়াছড়ির উদ্দেশে পাঠানো হয়।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ জানান, বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। দীঘিনালা-সাজেক সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

তিনি আরও জানান, মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়ক পানির নিচে থাকায় লংগদুর সঙ্গে যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন।

পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের রান্না করা ও শুকনো খাবারসহ ত্রাণ সহায়তা দেওয়া অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তানজিল পারভেজ।