অন্ধত্ব নিবারণে ডা. রবিউল হোসেনের অবদান স্মরণ


চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল রোগীকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (সিইআইটিসি) উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে হাসপাতালের ক্লাসরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়।

সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্ল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিইআইটিসির ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ. এম. অহিদুল আলম।

তিনি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন ছিলেন চক্ষু চিকিৎসা সেবার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর হাত ধরে অসংখ্য মানুষ নতুন করে আলোর মুখ দেখেছেন। মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এই কিংবদন্তি চিকিৎসক না থাকলে বহু মানুষ অন্ধত্বের অন্ধকারেই থেকে যেতেন।

তিনি আরও বলেন, “অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন ছিলেন আমাদের শিক্ষক, পরামর্শক এবং দেশের এক মূল্যবান সম্পদ। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে।”

স্মরণসভায় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেন সিইআইটিসির বোর্ড অব ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী, সমাজসেবা কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন, মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক, ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) রুকনুন চৌধুরী এবং চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী।

সমাজসেবা কর্মকর্তা ও রোগীকল্যাণ সমিতির কার্যকরী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াংকা মুহুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কার্যকরী পরিষদের সদস্য আলহাজ এমদাদুল আজিজ চৌধুরী, লেখক খন রঞ্জন রায়, এস এম হারুন-অর-রশীদ, জাহাঙ্গীর মোস্তফা ও মোহাম্মদ আলী তালুকদারসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা বলেন, উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের অবদান ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। চক্ষু চিকিৎসা ও অন্ধত্ব নিবারণে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

সভাশেষে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তাঁর জন্য সকলের নিকট দোয়া কামনা করা হয় এবং সিইআইটিসির কার্যক্রম পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়।